সারা বাংলা খুলনা নড়াইল
হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নড়াইলের লোহাগড়ায় জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ
২৬ বাংলা টিভি 26-Jun-2026 29
হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নড়াইলের লোহাগড়ায় জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ
নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডে মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত সুবাস চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে আদালতের ‘স্থিতাবস্থা’ (Status Quo) অমান্য করে ওই জমিতে দালানঘর ও নলকূপ নির্মাণের অভিযোগ করেছেন বাদী বিবেকানন্দ দাস।
দীর্ঘদিন ধরে লোহাগড়া পৌর এলাকার ৯৬ নং কচুবাড়িয়া মৌজায় ৫ একর ৯৬ শতাংশ জমি নিয়ে সুবাস চন্দ্র দাস ও বিবেকানন্দ দাসের মধ্যে বিরোধ চলছে। এই বিরোধপূর্ণ ৩৫টি দাগের জমির মালিকানা নিয়ে ১৯৮৯ সালের ৩৯ নং ডিক্রি এবং পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল নিম্ন আদালতের দেওয়া ০৭/২০২৪ রায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন বিবেকানন্দ দাস। এরই প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৮ জুলাই মহামান্য হাই কোর্টে তিনি ২৭৯৮ নং মামলা দায়ের করেন।
হাই কোর্টের বিচারপতি এস. এম. কুদ্দুস জামানের আদালতে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। শুনানিকালে আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে, রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমির দখল ও অবস্থানের ক্ষেত্রে ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় রাখতে হবে। আদালত উভয় পক্ষকে ডাকযোগে এই আদেশের কপি পাঠানোরও নির্দেশ প্রদান করেন।
বাদীর অভিযোগ, হাই কোর্টের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিবাদী সুবাস চন্দ্র দাস গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে আর.এস ১২৩৭ নং দাগের ২০ শতাংশ জমিতে জোরপূর্বক পাকা দালান নির্মাণ ও অ-গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করেন। বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বাধা দিলেও বিবাদী তা উপেক্ষা করে কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুবাস চন্দ্র দাস বলেন, "হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমি জানি না।"
আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে এমন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী বাদী পক্ষ অনতিবিলম্বে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
news@26banglatv.com