সারা বাংলা খুলনা চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত; জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
২৬ বাংলা টিভি 04-Apr-2026 63
চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত; জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি (০৪.০৪.২০২৬): চুয়াডাঙ্গা জেলায় বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। সে কারনে গোটা জেলায় অসহনীয় গরম অনুভূত হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম আর বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারনে সাধারণ মানুষের ঘরে বাইরে টেকাই দায়। হঠাৎ করে আবহাওয়া বিপর্যয়ে মানুষ বেশ অস্তিত্বে দিক কাটাচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান,চুয়াডাঙ্গায় শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৬ শতাংশ। এদিন বেলা ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ, এদিন দুপুর ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৫ শতাংশ। ওই দিন বেলা ৩টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৮ শতাংশ। যা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্র প্রখরতায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দফায় দফায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারনে ঘরে টেকায় দায় হয়েছে সাধারণ মানুষের। এ রকম আবহাওয়ার কারনে গোটা জেলায় অস্বস্তি বিরাজ করছে।
দুপুরে শহরের কোর্ট এলাকার স্টেশনারী ব্যবসায়ী মোমিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, সকালের পর পরই রোদের প্রখরতার কারনে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। সে কারনে সকাল সকাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা যাচ্ছে না। প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও ক্রেতার সংখ্যা কম হচ্ছে। আগের চেয়ে আয় রোজগার তেমন নেই।
ঠিক অভিন্ন কথা বলেন ইজিবাইক চালক হাটকালুগঞ্জের খোকন বলেন,ক'দিন আগেও সকাল থেকে ইজিবাইকের ভাড়া হতো। কিন্তু এখন ভাড়া অনেক কমে গেছে। গরমের কারনে রাস্তায় জনসাধারণের চলাচল কম। এমন আবহাওয়া থাকলে এই রোজগার নিয়ে সংসার চালানো দুস্কর হয়ে যাবে।
news@26banglatv.com