Logo
রবিবার | ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং | বাংলা
ব্রেকিং নিউজঃ

সারা বাংলা খুলনা চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত স্পিরিটকাণ্ডে নতুন মোড় : কবর থেকে উত্তোলন চার মরদেহের

২৬ বাংলা টিভি   21-Oct-2025   57

Photo

চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত স্পিরিটকাণ্ডে নতুন মোড় : কবর থেকে উত্তোলন চার মরদেহের


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহে বিষাক্ত স্পিরিট পানে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার কবর থেকে চারজনের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হুদা মনির উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনের কাজ সম্পন্ন হয়।

উত্তোলিত চারজন হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পিরোজখালি গ্রামের লাল্টু হোসেন, খেজুরা গ্রামের সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের খেদের আলী (৫০) এবং শংকরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় কয়েকজন একসঙ্গে বিষাক্ত স্পিরিট (অ্যালকোহল) পান করেন। পরদিন তারা সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সময়ে একে একে ছয়জনের মৃত্যু হয়। ১২ অক্টোবর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যুর পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর দুজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও নিহত চারজনকে পরিবারের সদস্যরা গোপনে দাফন করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হোসেন আলী বলেন, “

গত ১৩ অক্টোবর নিহত লাল্টুর ভাই রাকিব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মামলা দায়েরের আগেই নিহত চারজনকে গোপনে দাফন করা হয়েছিল। পরে ১৫ অক্টোবর আমরা আদালতে মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করি। আদালত ১৬ অক্টোবর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দেন এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আদেশ দেন।”

তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ চারজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যোগ করেন তিনি।

এদিকে, ঘটনাটির সঙ্গে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত স্পিরিটের যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, লাইসেন্সবিহীনভাবে অ্যালকোহল বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে স্থানীয় একটি চক্র জড়িত।

মামলা দায়েরের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহ থেকে মূল আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ‘এ্যালকো ফারুক’ (৪০) এবং তার সহযোগী জুমাত আলী (৪৬)-কে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১১৭ বোতল স্পিরিট।

জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক স্বীকার করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হোমিও চিকিৎসার আড়ালে বিষাক্ত স্পিরিট ও মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রি করে আসছিলেন এবং চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় তা সরবরাহ দিতেন।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হুদা মনির বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি দায়িত্ব পালন করেছি। আমার উপস্থিতিতে চারজনের মরদেহ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


news@26banglatv.com


Photo

৪৯ বাংলাদেশিসহ ১১১ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

নিউজ ডেস্কঃ ৪৯ বাংলাদেশিসহ মোট ১১১ জন বিদেশি অভিবাসীকে ফেরত...

Photo

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০)...

Photo

মা হারানো নবজাতকে কোলে তুলে নিলেন মানবিক ইউএনও: ভুল চিকিৎসায় ক্লিনিক সিলগালা ও জরিমানা

হুমায়ুন কবির,ঝিনাইদহ (কালীগঞ্জ): পৃথিবীতে আসার আগেই নিয়তির নির্মম...

Photo

৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৯টি আসনের...

© 2026 ২৬ বাংলা টিভি কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত