Logo
মঙ্গলবার | ১৬ জুন ২০২৬ ইং | বাংলা
ব্রেকিং নিউজঃ

সারা বাংলা খুলনা ঝিনাইদহ

হরিণাকুন্ডুর এক মাদ্রাসা সুপারের খুঁটির জোর কোথায় ?

২৬ বাংলা টিভি   17-Nov-2025   38

Photo

হরিণাকুন্ডুর এক মাদ্রাসা সুপারের খুঁটির জোর কোথায় ?


স্টাফ রিপোর্টার:

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি মাদ্রাসার উড়ে এসে জুড়ে বসা সুপার ইয়ারুল হকের জাল জোচ্চুরি ফাঁস হওয়ার ভয়ে তিনি আদালতের আদেশ একের পর এক লংঘন করে চলেছেন। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মাদ্রাসার মৃত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সুপারের সাক্ষর জাল করে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে আদালতে মামলা করে বসেন সাবেক সভাপতির ছেলে কনক মন্ডল। তিনি ২০২২ সালে মাদ্রসার কথিত সুপার ইয়ারুল হকের বিরুদ্ধে রেজুলেশন, নিয়োগপত্র ও তার পিতা খলিলুর রহমানের সাক্ষর জাল করার অভিযোগ এনে মামলা করেন, যার মামলা নং হরি সিআর ৩৬৬/২৩।

মামলার পর ঝিনাইদহ সিআইডকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দেয় আদালত। এছাড়া সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে মাদ্রাসা সুপারকে রেজুলেশন ও নিয়োগপত্রসহ আনুসাঙ্গীক কাগজ জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিন বছর পার হলেও দুর্নীতিবাজ সুপার ইয়ারুল হক মামলা তদন্তে কোন সহায়তা করেননি।

উপরন্ত ঝিনাইদহ সিআইডি যতবার মাদ্রাসাই গেছেন, ততবারই সুপার ইয়ারুল হকসহ জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা পালিয়ে গেছেন।সর্বশেষ গত ৯ নভেম্বর সিআইডির পরিদর্শক হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি মাদ্রাসায় গেলে সুপার ও শিক্ষকরা নামাজের কথা বলে সটকে পড়েন।

ঝিনাইদহ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, মাদ্রাসা সুপার মামলা তদন্তে কোন সহায়তা ও কাগজপত্র জমা দিচ্ছেন না। তিনি এ পর্যন্ত চারবার সময় নিয়েছেন। তার এই সময় নেওয়া ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজ জমা না দেবার পেছনে কোর দুরভিসন্ধি থাকতে পারে।

গ্রামবাসি আতিয়ার রহমান জানান, ২০০১ সালে হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি গ্রামে তারা একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২২ সালের ৬ জুলাই মাদ্রাসাটি রাতারাতি এমপিওভুক্ত হলে ইয়ারুল হক হঠাৎ আবির্ভূত হন সুপার হিসেবে। এরপর তিনি দাবি করে বসেন প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খলিলুর রহমান তাদের নিয়োগ দিয়ে গেছেন। কিন্তু তার এই দাবী অসত্য এবং জাল জোচ্চুরিতে ভরপুর।

মাদ্রাসার দপ্তরি মনজের আলী জানান, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল এই ১০ বছর পর্যন্ত বর্তমান সুপার ইয়ারুল হক মাদ্রাসায় ছিল না। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর তিনি রাতারাতি উড়ে এসে জুড়ে বসেন।

মামলার বাদী কনক মন্ডল জানান, সুপার ইয়ারুল একজন বাটপার ও চতুর মানুষ। তিনি মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার ইয়াসমিন সুলতানার সাক্ষরে নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবি করেন। কিন্তু ইয়াসমিন সুলতানা সিআইডির কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি সুপারসহ কাউকেই নিয়োগ দেননি।

এ বিষয়ে মাদরাসা সুপার ইয়ারুল হক রোববার দুপুরে জানান, আদালতে মাত্র একটি কাগজ জমা দিতে বাকি আছে। বাকি কাগজ দিয়েছি। সাক্ষর জাল ও নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

ঝিনাইদহ সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান জানান, মামলাটি তাদের পর্যবেক্ষনে রয়েছে। দ্রুত এই মামলার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।


news@26banglatv.com


Photo

৮ কুকুর ছানা হত্যা: পাবনায় এক নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ...

Photo

৪৯ বাংলাদেশিসহ ১১১ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

নিউজ ডেস্কঃ ৪৯ বাংলাদেশিসহ মোট ১১১ জন বিদেশি অভিবাসীকে ফেরত...

Photo

এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও আছে : তারেক রহমান

নিউজ ডেস্কঃসাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া...

Photo

বুকে ক্ষত নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য

নিউজ ডেস্কঃমুজিবনগর ছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের...

© 2026 ২৬ বাংলা টিভি কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত