সারা বাংলা রাজশাহী রাজশাহী
বাংলাদেশে আ.লীগের রাজনীতি করার সুযোগ নেই: সারজিস আলম
২৬ বাংলা টিভি 07-Oct-2025 44
বাংলাদেশে আ.লীগের রাজনীতি করার সুযোগ নেই: সারজিস আলম
রাজশাহী প্রতিনিধি :
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, এই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে তাদের মার্কা, তাদের নিবন্ধন আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করতে হবে। এটা আমাদের স্পষ্ট অবস্থান।
আজ সোমবার (৬অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, অভ্যুথান পরবর্তী বাংলাদেশে আবার যদি এই প্রাসঙ্গিকতা কেউ আনার চেষ্টা করে তাহলে আমরা ধরেই নিবো অভ্যুথানের সময় তার বিরোধী অবস্থান ছিল, হয়তো গোপনে ছিল। এখন সে সেটা প্রকাশ করছে। বাংলাদেশের ছাত্রজনতার এটার বিপক্ষে তাদের যে অবস্থান পূর্বের মতো আবার হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর শাপলা প্রতিক পেতে আইনগত কোনো বাধা নেই। নির্বাচন কমিশন কারো চাপে তারা ভীত হয়ে যদি আমাদের দিতে না চায় তাহলে আমরা মনে করবো তার স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের চরিত্রটা হারিয়ে ফেলেছে। যদি এটা হয় তাহলে তাদের উপর আমাদের আস্থাটা আর থাকবে না। যেহেতু আইনগত কোনো বাধা নেই, আমরা স্পষ্ট বিশ্বাস করি শাপল প্রতীক হিসেবে পাবো এবং সেই প্রতিক নিয়ে এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
বিগত নির্বাচন কমিশনগুলো যা করেছে যদি বর্তমান নির্বাচন কমিশনও যদি ওইভাবে করার চেষ্টা করে আমাদের জন্য অভ্যুথান পরবর্তী সময়ে লজ্জার। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা এনসিপিকে শাপলা না দেওয়ার পেছনে না ছুটে নীতিমালা সংশোধন করেন। যে নীতিমালাগুলো আপনাদেরকে স্টান্টার্ড হিসেবে তুলে ধরবে এবং যারা প্রকৃতপক্ষে জনগনের জন্য রাজনীতি করছে আপনারা তাদেরকে প্রাসঙ্গিক রাখেন।
তিনি অরো বলেন, এখনও এমনও অনেক পুলিশ অফিসার আছেন যারা তাদের জায়গা থেকে এখন আবার টাকা ছাড়া কাজ করে না। যদি জানিনা বলে প্রমাণ চাইলে, আপনি আছেন কেন? গোয়েন্দা সংস্থা আছে কেন? যদি আমার প্রমাণ দিতে হয়। অভ্যুথান পরবর্তী বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে প্রশাসন, পুলিশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাহিনীতে যদি ১ হজারাও কালপিট থেকে থাকতো যে দলীয় বাহিনী হিসেবে কাজ করেছে, আওয়ামী বাহিনী হিসেবে কাজ করেছে ও মানুষের সাথে অন্যায় করেছে তাদের বিরুদ্ধে যদি দৃশ্যমান ব্যবস্থা হতো তাহলে এই অবস্থা দেখতে হতো না।
তারা প্রথম ফেইল করেছে আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এখন পর্যন্ত তাদের পেলে পুষে রেখেছে দেখছে যে কিছুই হচ্ছে না তখন তারা আগের কাজ শুরু করেছে। অভ্যুথান ধারণ করে কাজ করা উচিত।
সারজিস আরো বলেন, আমাদের যে জুলাই সনদ এটার যদি আইনগত ভিত্তি পাই তাহলে সেই নির্বাচনের দিকে যাবো। আমরা দৃশ্যমান বিচার দেখতে চাই। ১ হাজার মামলার রায় না দিয়ে গেলেও অন্তত আমাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মামলার ৫০/১০০ আসামি যারা খুনের সাথে সরাসরি জড়িত তাদের বিচার দেখতে চাই। রায় কার্যকর দেখতে চাই। গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক রায়ের দিকে আমরা তাকিয়ে আছি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠিক সম্পাদক ইমরান ইমনসহ এনসিপি জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
news@26banglatv.com